পথের বাঁকে বাঁকে থেমে থেমে দেখি , তোমার এবং আমি একসাথে ছিলাম কি না , সে প্রশ্ন নিয়ে। বাতাসে একটা সুগন্ধ ভেসে আসে , হয়তো শৈশবের খানায় ধরা এক চুম্বনের স্মৃতি। আমি চলেছি অদৃশ্য রেল লাইনের মতো , যেখানে শব্দ নেই , শুধু কম্পমান নিঃশব্দতা। তোর স্মৃতিতে রঙিন বালি ছড়িয়ে আছে , আমি সেই বালিতে দাঁড়িয়ে বলি , আমি এখানে রয়েছি , তোমার কি শুনেছো ? চাঁদের আলো ঝলসে ওঠে পত্রিকার মতো , ভেঙে পড়ছে ফ্ল্যাশব্যাকে। আজ আমি হেঁটেছি বৃক্ষরহিত রাস্তায় , যেখানে শুধু আমার ছায়া আমাকে সঙ্গ দিচ্ছে। তোর অনুপস্থিতি এক ধরনের অবস্থা , যেখানে সময় থামে না , কিন্তু পিছিয়ে যায়। আমি রাখি সময়ের ঘড়ি বন্ধ করে , তোমার আগমনের জন্য অপেক্ষায় , যা যদি হয় এক হেসে ওঠা শিশির বিন্দুতে। ভালোবাসা ছিল চিরন্তন , কিন্তু মাঝপথে হারিয়ে গেছে একটু সাহস , তোর চোখের মধ্যে সেই আলো , যা আজ দেখি শুধু স্বপ্নের পেছনে। আমি লিখেছি এই লাইনগুলো , যেমন এক বৃষ্টির দোয়ালে লেখা অদৃশ্য বার্তা , যা পড়ে কেউ না … তবু অনুভব করে যায় হৃদয়। তোমার যদি ফিরে আসো , আমি রাখব একটু , এই বার একটু গাঢ়ভাবে বলব , তুমি ফিরে এসেছো , আর আমরা আবার হাসব , প্রথম র...
শহরের ভিড়ে আমি দেখেছি এক ট্রেনাবার্ডের চোখ , যেখানে আর কেউ নেই , শুধু আন্দোলন এবং অপেক্ষা। বাতাসে মেশেছে ট্রাফিক হর্ণ , রেল লাইনের ধ্বনিতে , আমার মন হয় ওদের সুরের অংশ , বা হয়তো ছায়া। তারপর তুমি এসেছো হঠাৎ , হাতের আঙুলে শহরের মানচিত্র আঁকো , এখানে ছিলাম আমি , বললে , তাহলে আমি বলব , এখানে ছিলাম আমি ও আমার অপেক্ষা। স্মৃতিতে ফুটছে পুরনো রাস্তার বাঁকে ধূসর একটি রোদ্দুর , পাশাপাশি একটি শিশুর হাসি , ভুলে যাওয়ার ডাকে। আমরা হয়তো একসাথে ছিলাম না , কিন্তু পথ একসাথে ছিল , নিখুঁত না হয় , তবে বিশ্বাস ছিল। আজ আমি শহরের একটি কোণায় দাঁড়িয়ে বলি , আমার ভালোবাসা চিৎকার করে না , শুধু ছায়ার মতো তোমার পেছনে হাঁটছে। হাওয়ার বিকট সঙ্গীত , বাতি নিভে যাওয়া পাথর , সব মিলিয়ে দিয়ে গেছে একটি বার্তা: মানুষ একা নয় , তবে মানুষের মাঝেও একা থাকা যায়। তাহলে আমি বলব , চল তুমি আমাকে হাতে ধর , আমরা একসাথে উঠব শহরের রোকাসি রাস্তায় , যেখানে প্রতিটি পাথর বলছে , চোখ খোলো , চলো।