১. আমি যখন নিঃশেষ রাত্রির অন্ধকারে দাঁড়িয়ে থাকি শূন্যতার নীরবতায় হৃদয়ের ব্যথা একটানা গভীর হ ’ য়ে বাজতে থাকে , এমন প্রতিধ্বনি যেন বাতাসের অদেখা দোলায় মনোমুক্ত শব্দেরা হৃদয়ের অন্তঃস্থলকে স্পর্শ ক ’ রে রাতের অব্যক্ত শূন্যতায় প্রতিটি নিশ্বাস যেন দীর্ঘ নীরবতার মতো অজস্র ক্ষুদ্র আলো নিভে যায় , কোনো অস্পষ্ট , অচেনা অনুভূতি অন্তরের খেয়ালে গভীর কষ্টের দাগ এঁকে যায় ২. চোখের পলকে ঢুকে প ’ ড়ে শত শূন্যতার অভিশাপ যেমন প্রতিটি স্মৃতি নিজের ভারে ডু ’ বে আছে , হৃদয়ের প্রতিটি শিরায় বেজে ওঠা অনুভূতির সুর ধীরে ধীরে শব্দের সমুদ্রে মিলিয়ে যায় তার ছায়া মনে হয় , আমি যেন নতুন কোন আগন্তুক একটি অনির্দিষ্ট গান অন্তরালের ম্লান দীপ্তিকে মুঠোয় বন্দী ক ’ রে ছেড়ে দিয়েছে আর সেই সুরে প্রতিটি অনুভব জীবনের সন্ধি খুঁজে পেতে চায় শূন্যতার রূপে , ব্যথার রূপে , মানসিক ক্ষুদ্র আলোতে প্রান্তর খুঁজে রক্তের গভীরে ৩. তোমার ওই অনাবিল ছায়া যেন কোনো কবিতার সম্ভ্রম কবে , কোথা থেকে , ঝ ’ রে এসেছে বেদনার আলো ? আমি জানিনা ! কিন্তু প্রতিটি শব্দে তোমার স্পর্শের মতো স্নিগ্ধ , অচেনা কণ্ঠ আমার ...
কবির হৃদয়ে অসমাপ্ত ব’লে কিছু নেই , ঘড়ির কাঁটা যেন মুহূর্তে শুধু নিশ্বাস ফেলে ভালোবাসা তার কাছে কোনো মানুষ নয় , একটি অনন্ত আলোর ছায়া , যা শব্দ হ’য়ে জন্ম নেয় প্রতিটি নিঃশ্বাসে; রাত্রি যখন ঘন হ’য়ে আসে চতুর্দিকে , সে তখন জেগে থাকে বাতাসের ভেতর , ভালোবাসার অদৃশ্য আলিঙ্গনে, চেতনায় এঁকে যায় কোন নারীর চোখের গভীর চিহ্ন তার কলমে জ্বলে উঠে নক্ষত্র , জ্যোৎস্না অক্ষরগুলো নরম আগুনের মতো উজ্জ্বল, যা পোড়ায় , আবার শীতলও ক’রে একসঙ্গে সে জানে , প্রতিটি প্রেমই অসমাপ্ত , অপূর্ণ, তবু অসমাপ্তিতেই লুকিয়ে আছে গভীরতা বাস্তবতার কংক্রিট শহরে মুহূর্তে, যখন সব অনুভব হারায় মানবিক কণ্ঠে , কবি তখন একফোঁটা বৃষ্টি ধ’রে রাখে , যেন পৃথিবীর শেষ কোমলতা সবুজবনে তার কাব্যের প্রতিটি আলো যেন এক নিঃসঙ্গ আত্মার অমরতা, যেখানে শব্দ নয় , বরং নীরবতার উচ্ছ্বাস সে জানে, ঝরে পড়ে মানবিক সম্পর্ক, ভালোবাসা ক্ষণস্থায়ী , কিন্তু কবিতা অমর তার সম্পর্ক , লিখিত দৃষ্টি টিকে থাকে সময়ের অন্তহীন গলিতে, ছায়াপথে কবি, যে একদিন সব কিছু হারিয়ে ফেলে শব্দের ভেতর নিজের পুনর্জন্ম খুঁজে পায় , এবং পৃথিবী বুঝে না, ...