সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

রবীন্দ্রনাথের ‘গীতাঞ্জলী’

 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতাঞ্জলী বাংলা সাহিত্যের এমন এক গ্রন্থ, যা কবিতার সীমা অতিক্রম করে প্রার্থনা চিন্তা সংগীত দর্শন ও মানবিক আত্মোপলব্ধির এক দীর্ঘ সমন্বিত অভিযাত্রায় রূপ নিয়েছে এবং এই গ্রন্থকে পাঠ করা মানে কেবল ভাষার সৌন্দর্য বা কাব্যিক অলংকার অনুধাবন নয় বরং নিজের অস্তিত্বকে এক গভীর অন্তর্মুখী যাত্রায় সঁপে দেওয়া, যেখানে আত্মা ধীরে ধীরে নিজের আবরণ ঝরিয়ে ফেলে গীতাঞ্জলী কোনো একক মুহূর্তের রচনা নয়। এটি বহু বছরের সাধনা অনুভব সংশয় বিশ্বাস ভাঙা ও গড়ার মধ্য দিয়ে নির্মিত এক আধ্যাত্মিক আত্মজীবনী। যেখানে কবি নিজেই নিজের প্রধান চরিত্র এবং সেই চরিত্রের বিবর্তনের মধ্য দিয়ে মানব আত্মার সার্বজনীন রূপটি উন্মোচিত হয়। এখানে কবি কখনো প্রশ্নকারী কখনো প্রার্থী কখনো প্রেমিক কখনো বিদ্রোহী আবার কখনো নিঃশব্দ শ্রোতা। এই বহুমাত্রিক অবস্থানই গীতাঞ্জলীকে একমাত্রিক। ভক্তিকাব্যের গণ্ডি থেকে মুক্ত করে এনে এক বিস্তৃত মানবিক দর্শনের স্তরে উন্নীত করেছে। গীতাঞ্জলীর কবিতাগুলি বিচ্ছিন্ন পাঠ্য হিসেবে নয়, বরং একটি অবিচ্ছিন্ন প্রবাহ হিসেবে পড়তে হয়। যেখানে প্রতিটি কবিতা আগেরটির সঙ্গে নীরব সংলাপে যুক্ত এবং পরবর্তীটির জন্য ভূমি প্রস্তুত করে, এই ধারাবাহিকতায় কবির আত্মা ধীরে ধীরে পরিশুদ্ধ হয় এবং সেই শুদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পাঠকের মনও এক অদৃশ্য প্রক্রিয়ায় রূপান্তরিত হতে থাকে। গীতাঞ্জলীতে ঈশ্বর কোনো নির্দিষ্ট ধর্মীয় রূপে আবদ্ধ নন, তিনি কখনো বন্ধু কখনো প্রভু কখনো প্রিয়তম কখনো অচেনা পথিক আবার কখনো নিস্পৃহ নীরবতা। এই পরিবর্তনশীল ঈশ্বর-ভাব আসলে কবির নিজের চেতনার পরিবর্তনের প্রতিফলন। কারণ গীতাঞ্জলীর ঈশ্বর বাইরের কোনো স্থির সত্তা নয় বরং অন্তরের অভিজ্ঞতায় ক্রমাগত নতুন রূপে আবির্ভূত। এক পরম সত্য এই সত্যকে উপলব্ধি করার পথে কবিকে অতিক্রম করতে হয়, অহংকার আত্মগৌরব সামাজিক মর্যাদা ও বুদ্ধিবৃত্তিক অহমিকার মতো বহু স্তর এবং এই অতিক্রমণই গীতাঞ্জলীর প্রধান নাটকীয়তা, যেখানে বাহ্যিক কোনো ঘটনা নেই অথচ অন্তর্গত সংঘর্ষ প্রবল গীতাঞ্জলীর ভাষা সরল, কিন্তু সেই সরলতার মধ্যে লুকিয়ে আছে দীর্ঘ দার্শনিক সাধনার ফল। যেখানে উপনিষদের ব্রহ্মভাব বৈষ্ণব পদাবলীর প্রেমতত্ত্ব বাউল দর্শনের দেহতত্ত্ব এবং পাশ্চাত্য মানবতাবাদের সূক্ষ্ম প্রভাব একাকার হয়ে গেছে। এই সমন্বয় কৃত্রিম নয়, বরং স্বাভাবিক। কারণ রবীন্দ্রনাথের মন নিজেই ছিল এক সেতু যেখানে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য লোক ও শাস্ত্র গ্রাম ও বিশ্ব একত্রে প্রবাহিত হয়েছে। গীতাঞ্জলীর কবিতাগুলিতে বারবার যে আত্মসমর্পণের কথা আসে তা কোনো আত্মবিলোপ নয় বরং এক গভীর আত্মবিস্তার। যেখানে ব্যক্তি নিজেকে বৃহত্তর সত্তার মধ্যে খুঁজে পায়।  এই আত্মসমর্পণ ভয় থেকে নয় বরং ভালোবাসা থেকে উৎসারিত এবং এই ভালোবাসাই গীতাঞ্জলীর প্রাণশক্তি। কবি বলেন তিনি তার সকল অলংকার নামিয়ে রাখবেন দরজার বাইরে, কারণ ঈশ্বরের কাছে পৌঁছতে হলে সত্যের নগ্নতা প্রয়োজন। এই নগ্নতা মানে অশালীনতা নয় বরং সকল ভান পরিত্যাগ করে নিজের প্রকৃত অবস্থায় উপস্থিত হওয়া।  এই উপস্থিতিই প্রার্থনার মূল রূপ। গীতাঞ্জলীতে প্রার্থনা মানে কিছু চাওয়া নয় বরং নিজেকে উন্মুক্ত করা, যাতে পরম সত্য নিজে এসে নিজের মতো করে প্রবেশ করতে পারে। এই কারণে অনেক কবিতায় কবি কিছু না পাওয়ার মধ্যেই পরম প্রাপ্তির আনন্দ অনুভব করেন। কারণ শূন্যতাই এখানে পূর্ণতার দ্বার হয়ে ওঠে। গীতাঞ্জলীর প্রকৃতি ভাবনা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।  এখানে প্রকৃতি নিছক সৌন্দর্যের উপকরণ নয়, বরং ঈশ্বরের জীবন্ত প্রকাশ। বাতাসের স্পর্শ আলোছায়ার খেলা নদীর স্রোত আকাশের নীরবতা সবই যেন এক একটিই বাণী যা কবির হৃদয়ে ধ্বনিত হয়। এই প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক এখানে শাসন বা ভোগের নয় বরং সহাবস্থানের, যেখানে মানুষ নিজেকে প্রকৃতির অংশ হিসেবে অনুভব করে, এবং এই অনুভবই তাকে অহংকারমুক্ত করে গীতাঞ্জলীর সময়বোধ আধুনিক যান্ত্রিক সময়ের মতো খণ্ডিত নয় বরং এক অনন্ত প্রবাহ। যেখানে অতীত বর্তমান ও ভবিষ্যৎ মিলিত হয়ে যায়। এই প্রবাহে জন্ম ও মৃত্যু পরস্পরের বিরোধী নয় বরং একই যাত্রার দুই প্রান্ত কবি মৃত্যুকে ভয় করেন না, কারণ তিনি জানেন মৃত্যু মানে সমাপ্তি নয় বরং এক নতুন আলোয় প্রবেশ এই দৃষ্টিভঙ্গি গীতাঞ্জলীর বেদনাকে কোমল করে তোলে। এখানে দুঃখ আছে কিন্তু তা ভারী নয়। কারণ তার মধ্যেও এক নীরব প্রত্যাশা কাজ করে। গীতাঞ্জলীর প্রেম বহুমাত্রিক এটি ঈশ্বরপ্রেম মানবপ্রেম ও আত্মপ্রেমের এক জটিল অথচ সুষম সমন্বয় যেখানে কোনো একটি অন্যটিকে গ্রাস করে না, বরং পরস্পরকে সমৃদ্ধ করে এই প্রেমে কাম নেই এমন নয় কিন্তু তা রূপান্তরিত হয়ে এক উচ্চতর অনুভবে উন্নীত হয়। যেখানে দেহের সীমা অতিক্রম করে আত্মার বিস্তার ঘটে। গীতাঞ্জলীর সংগীতধর্মিতা এই গ্রন্থের অন্যতম প্রধান শক্তি।  কারণ এই কবিতাগুলি কেবল পড়ার জন্য নয়, গাওয়ার জন্যই যেন জন্ম নিয়েছে শব্দের ধ্বনি ছন্দ ও বিরতি মিলিত হয়ে এক অন্তর্গত সুর সৃষ্টি করে, যা পাঠকের মনকে এক ধ্যানাবস্থায় নিয়ে যায়। এই সংগীতধর্মিতাই গীতাঞ্জলীকে অনুবাদে কিছুটা অপূর্ণ করে তোলে। কারণ ভাষান্তরে শব্দের অর্থ আংশিকভাবে গেলেও সুরের সূক্ষ্ম কম্পন অনেকটাই হারিয়ে যায়, তবুও গীতাঞ্জলীর ইংরেজি অনুবাদ বিশ্বজুড়ে যে সাড়া জাগিয়েছে তা প্রমাণ করে যে এর অন্তর্গত সত্য ভাষার সীমা অতিক্রম করতে সক্ষম। গীতাঞ্জলী আধুনিক মানুষের জন্য এক বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। কারণ আজকের ভোগবাদী প্রযুক্তিনির্ভর জীবনে মানুষ নিজের অন্তরের সঙ্গে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।  এই গ্রন্থ সেই বিচ্ছিন্নতার বিরুদ্ধে এক নীরব প্রতিবাদ, যেখানে কবি উচ্চস্বরে কিছু বলেন না কিন্তু তার নীরব আহ্বান গভীরভাবে স্পর্শ করে, গীতাঞ্জলীতে শ্রম ও সাধারণ মানুষের প্রতি গভীর সম্মান লক্ষ করা যায় কবি ঈশ্বরকে খুঁজতে যান রাজপ্রাসাদে নয় বরং মাটির ধুলোয়। শ্রমিকের ঘামে এই মানবমুখী আধ্যাত্মিকতা গীতাঞ্জলীর সবচেয়ে বিপ্লবী দিক, কারণ এখানে ঈশ্বরচর্চা সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে বিচ্ছিন্ন নয়, বরং তার মধ্য দিয়েই পূর্ণতা পায়। এই দৃষ্টিভঙ্গি রবীন্দ্রনাথকে একাধারে কবি দার্শনিক ও মানবতাবাদী চিন্তক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। গীতাঞ্জলী কোনো উপদেশমূলক গ্রন্থ নয়, এখানে কোনো সরাসরি নৈতিক বিধান নেই,  কিন্তু তবুও এটি পাঠকের মধ্যে এক নৈতিক বোধ জাগিয়ে তোলে। কারণ সৌন্দর্য ও সত্য এখানে আলাদা নয়,  বরং একে অপরের পরিপূরক, এই সমন্বয় পাঠককে শেখায় যে জীবনকে ভালোবাসতে হলে তাকে গভীরভাবে উপলব্ধি করতে হয়, এবং সেই উপলব্ধির জন্য ধৈর্য নীরবতা ও গ্রহণশীলতা প্রয়োজন। গীতাঞ্জলীর পাঠ একবারে শেষ হয় না, প্রতিবার পাঠে নতুন অর্থ নতুন অনুভব উন্মোচিত হয় এবং এই পুনরাবৃত্তিই এর চিরন্তনতা নিশ্চিত করে, শেষ পর্যন্ত গীতাঞ্জলী আমাদের শেখায় যে মুক্তি কোনো দূরবর্তী লক্ষ্য নয় বরং জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে সচেতন উপস্থিতির মধ্যেই তার বীজ নিহিত এবং এই উপলব্ধিই গীতাঞ্জলীর চূড়ান্ত দান।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

প্রবন্ধঃ বিষ্ণু দে : ‘উর্বশী ও আর্টেমিস’ থেকে ‘চোরাবালি’

বিষ্ণু দে , তিরিশি কবিদের অন্যতম । কবিতা রচনাই যাঁর কাছে এক এবং অদ্বিতীয় হ ’ য়ে দেখা দেয় । কাব্যে সংখ্যার দিক থেকে অতিক্রম করেছেন সতীর্থদের । বিষ্ণু দে , যাঁর কবিতা রচনার সূচনা পর্বটিও শুরু হয় খুব দ্রুততম সময়ে । কবিতা সৃষ্টির পর্বটি অব্যাহত রেখেছেন সর্বদা । পঁচিশটি কবিতা নিয়ে ‘ উর্বশী ও আর্টেমিস ’- এ নিজেকে প্রকাশ করেন স্ব - মহিমায় । যে কবিতাগুলা বিস্ময়বিমুগ্ধ ক ’ রে অন্যেদেরকেও । ওই কবিতা শুধু বিষ্ণু দে ’ কে নয় , বরং নতুনতর হ ’ য়ে দেখা দেয় বাঙলা কবিতা । বিষ্ণু দে ’ র ‘ উর্বশী ও আর্টেমিস ’ রবীন্দ্রনাথকে পড়তে হয়েছিল দু ’ বার । ‘ উর্বশী ও আর্টেমিস ’- এর কবিতাগুলির রচনাকালের ব্যাপ্তি দেওয়া আছে ( ১৯২৮ - ১৯৩৩ ) সময়ের মধ্যে , এবং গ্রন্থকারে প্রকাশ পায় ওই একই বছরে অর্থাৎ , ১৯৩৩ - এ । কিন্তু রচনাকালের ব্যাপ্তি ১৯২৮ দেওয়া থাকলেও প্রকৃত পক্ষে এ সকল কবিতাগুলো রচনা পর্ব শুরু হয় আরো দু ’ বছর পূর্বে অর্থাৎ , ১৯২৬ - এ । যখন কবি হিশেবে বিষ্ণু দে একেবারেই নতুন এবং নবীন । ১৯৩৩ - এ ...

প্রবন্ধঃ বুদ্ধদেব বসু ও ‘কঙ্কাবতী’

বুদ্ধদেব বসু প্রেমের অজস্র কবিতা রচনা করেছেন । অন্য অনেকের মতো তিনিও বেছে নেন একজন প্রেমিকাকে , যে হ ’ য়ে উঠে বুদ্ধদেবের অতুল্য প্রেমিকা হিশেবে । ‘ কঙ্কাবতী ’ অনিন্দ্য প্রেমিকা হ ’ য়ে বুদ্ধদেবের কাব্যতে বিচরণ ক ’ রে স্বচ্ছন্দে । স্থির হয়ে বসে পড়ে কঙ্কাবতী ’ কাব্যগ্রন্থে । যে কাব্যগ্রন্থে ‘ কঙ্কাবতী ’ দেখা দেয় অনৈসর্গিক হয়ে । ‘ কঙ্কাবতী ’ কাব্য রচনার পূর্বে ‘ কঙ্কাবতীকে ’ দেখা দেয় অনৈসর্গিক হয়ে । ‘ কঙ্কাবতী ’ কাব্য রচনার পূর্বে কঙ্কাবতীকে আমরা দেখতে পাই অন্য কোনো কবিতায় । যেখানে সে প্রেমিকার কাছে হয়ে ওঠে কুৎসিত কঙ্কাল ব্যতীত অন্য কিছু নয় । প্রগাঢ় ভাবে প্রাপ্তির জন্যে সমস্ত কবিতা জুঁড়ে দেখতে পাই কবির অপরিবর্তনীয় আবেদন । কঙ্কাবতী , যাঁর সাথে কিছু বাক্য বিনিময়ের জন্যে রক্তের হিমবাহে দেখা দেয় চঞ্চলতা । সুপ্রিয়া প্রেমিকা মুখ তোলা মাত্র কবি হাঁরিয়ে ফেলেন ওই সৌন্দর্যময় বাক্যগুলো , যা বলার জন্যে অপেক্ষায় ছিলেন কবি দীর্ঘদিন । প্রেমিকা যখন খুব কাছাকাছি হয়ে এগিয়ে আসেন , ওই ব্যর্থ ...

প্রবন্ধঃ অমিয় চক্রবর্তী : ‘বৃষ্টি’ নিয়ে তিনটি কবিতা

রবীন্দ্রনাথ, মেঘ-বরষা বৃষ্টি নিয়ে এতো সংখ্যক কবিতা লিখেছেন যে তাঁর সমান বা সমসংখ্যক কবিতা বাঙলায় কেউ লিখেনি। রবীন্দ্রনাথ, যাঁর কবিতায় বার বার এবং বহুবার ফিরে ফিরে এসেছে মেঘ, বরষা, বৃষ্টি। বৃষ্টি নামটি নিলেই মনে পড়ে কৈশোর পেড়িয়ে আসা রবীন্দ্রনাথের ওই কবিতাটির কথা। ‘দিনের আলো নিবে এল সূর্য্যি ডোবে ডোবে আকাশ ঘিরে মেঘ জুটেছে চাঁদের লোভে লোভে।’ বৃষ্টি নিয়ে কবিতা পড়ার কথা মনে পড়লে এটাই চলে আসে আমার মনে। অমিয় চক্রবর্তী বৃষ্টি নিয়ে লিখেছেন বেশ কিছু কবিতা। বাঙলায় বৃষ্টি নিয়ে কবিতা লিখেনি এমন কবির সংখ্যা খুব কম বা নেই বললেই চলে। অমিয় চক্রবর্তী, যাঁর কবিতায় পাই ‘বৃষ্টি’ নামক কিছু সৌন্দর্যময় কবিতা। যে কবিতাগুলো আমাকে বিস্ময় বিমুগ্ধ ক’রে। ওই কবিদের কারো কারো কবিতা দ্রুত নিঃশ্বাসে পড়া সম্ভবপর হয়ে উঠে না। বৃষ্টি নামক প্রথম কবিতাটি পাওয়া যাবে অমিয় চক্রবর্তীর ‘একমুঠোতে’। উন্নিশটি কবিতা নিয়ে গ’ড়ে উঠে ‘একমুঠো’ নামক কাব্য গ্রন্থটি। যেখান থেকে শ্রেষ্ঠ কবিতায় তুলে নেওয়া হয় চারটি কবিতা। আমার আরো ভালোলাগে ‘বৃষ্টি’ কবিতাটি ওই তালিকায় উঠে আসে। শ্রেষ্ঠ কবিতায় না আসলে আমার যে খুব খারাপ লাগতে তা-ও নয়। ওই কবিতা...