সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

রবীন্দ্রনাথের শেষের কবিতার ‘লাবণ্য’ চরিত্রের রূপধারা


রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের (১৮৬১-১৯৪১)  ‘শেষের কবিতা’ উপন্যাসে ‘লাবণ্য’ চরিত্রটি কেবল একটি নারীমুখী প্রেমকাহিনির নায়িকা নয়, সে আধুনিক বাঙালি নারীর আত্মসচেতনতার একটি নান্দনিক ও দার্শনিক রূপ। যেখানে প্রেম, বুদ্ধিবৃত্তি, আত্মসম্মান ও স্বাধীন সত্তার সংঘাত ও সমন্বয় একত্রে প্রবাহিত হয়েছে এবং এই প্রবাহের মধ্য দিয়েই ‘লাবণ্য’ রবীন্দ্র-উপন্যাসের নারীচরিত্রের বিবর্তনে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁচেছে। ‘লাবণ্য’কে বিশ্লেষণ করতে গেলে প্রথমেই যে বিষয়টি সামনে আসে তা হলো তার ভাষা ও চিন্তার স্বাতন্ত্র্য;  কারণ রবীন্দ্রনাথ এখানে নারীকে কেবল অনুভূতির আধার হিসেবে নয়, বরং চিন্তার সহযাত্রী হিসেবে নির্মাণ করেছেন। যেখানে ‘লাবণ্য’ নিজের অনুভবকে ভাষায় রূপ দিতে পারে, যুক্তির আলোয় নিজের অবস্থান নির্ধারণ করতে পারে এবং প্রেমকে অন্ধ আত্মসমর্পণ না করে একটি বৌদ্ধিক অভিজ্ঞতায় উত্তীর্ণ করতে সক্ষম হয়। ‘শেষের কবিতা’ মূলত প্রেমের উপন্যাস হলেও এই প্রেম কোনো সহজ আবেগপ্রবণ রোমান্টিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা আত্মমর্যাদা ও আত্মপরিচয়ের পরীক্ষাক্ষেত্র, আর এই পরীক্ষার কেন্দ্রে অবস্থান করে ‘লাবণ্য’ চরিত্রটি, যে নিজের ভালোবাসাকে নিজের সত্তার শর্তে গ্রহণ করতে চায়, অন্যের শর্তে নয়। ‘লাবণ্য’র রূপধারায় আমরা দেখি রবীন্দ্রনাথের নারীভাবনার এক পরিণত রূপ, যেখানে নারী আর পুরুষের ছায়া নয়, বরং নিজের আলো নিয়ে উপস্থিত, নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নিতে সক্ষম এবং প্রয়োজন হলে প্রেমকেও প্রত্যাখ্যান করতে দ্বিধা করে না। এই আত্মপ্রত্যয়ের মধ্যেই ‘লাবণ্য’র সাহিত্যিক মূল্য নিহিত, কারণ সে রবীন্দ্র-উপন্যাসের সেই ধারাকে ভেঙে দেয়, যেখানে নারী কেবল ত্যাগের প্রতিমা বা নিঃশব্দ সহনশীলতার প্রতীক হয়ে থাকে। ‘লাবণ্য’ ত্যাগী হলেও সে নির্বাক নয়, সহনশীল হলেও সে আত্মবিসর্জনকারী নয়, বরং সে জানে কোন সীমারেখার ভেতরে ভালোবাসা মর্যাদা পায় এবং কোন সীমারেখা অতিক্রম করলে তা আত্মঅবমাননায় পরিণত হয়। ‘অমিত’ ও ‘লাবণ্য’র সম্পর্কের মধ্য দিয়ে রবীন্দ্রনাথ যে দ্বান্দ্বিক প্রেমভাবনার রূপায়ণ করেছেন সেখানে ‘লাবণ্য’র ভূমিকা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ‘অমিতে’র চঞ্চল বুদ্ধিবৃত্তিক অহংকার, তার শব্দনির্ভর প্রেম ও কাব্যিক উচ্ছ্বাসের বিপরীতে ‘লাবণ্য’ এক স্থির বোধের প্রতিনিধি, যে শব্দের মোহে নয়, বরং অনুভবের গভীরতায় সত্য খোঁজে। ‘অমিত’ প্রেমকে দেখতে চায় সৃজনশীল উত্তেজনার অভিজ্ঞতা হিসেবে, যেখানে প্রেম এক ধরনের মানসিক অ্যাডভেঞ্চার, কিন্তু ‘লাবণ্য’র কাছে প্রেম মানে দায়িত্ব, আত্মসংযম ও দীর্ঘস্থায়ী মূল্যবোধের সম্মিলন, আর এই দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্যই তাদের সম্পর্ককে নাটকীয়তা দেয় এবং ‘লাবণ্য’কে কেবল প্রেমের বস্তু নয় বরং প্রেমের মানদণ্ডে পরিণত করে। ‘লাবণ্য’র চরিত্রে যে সূক্ষ্ম আত্মসংকোচ ও দৃঢ়তা একসঙ্গে উপস্থিত তা রবীন্দ্রনাথের মনস্তাত্ত্বিক দক্ষতার পরিচায়ক। কারণ তিনি দেখিয়েছেন কীভাবে একজন নারী একদিকে গভীরভাবে অনুভূতিপ্রবণ হয়েও অন্যদিকে যুক্তিবোধে প্রখর হতে পারে এবং এই দ্বৈত সত্তাই তাকে পূর্ণতা দেয়। ‘লাবণ্য’র রূপধারায় কোনো অতিনাটকীয়তা নেই, নেই অকারণ আবেগের বিস্ফোরণ, বরং তার কথোপকথনে, চিন্তায় ও সিদ্ধান্তে এক ধরনের সংযত সৌন্দর্য বিদ্যমান, যা রবীন্দ্রনাথের নান্দনিক দর্শনের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। এই সংযত সৌন্দর্যই ‘লাবণ্য’কে আধুনিক করে তোলে, কারণ আধুনিকতা এখানে কেবল সামাজিক বিদ্রোহ নয়, বরং আত্মবোধের সূক্ষ্মতা ও আত্মসম্মানের দৃঢ়তায় নিহিত। ‘লাবণ্য’ যখন অমিতের প্রেমকে গ্রহণ করতে দ্বিধা করে বা নিজেকে সরিয়ে নেয়, তখন তা কোনো দুর্বলতা নয়, বরং আত্মরক্ষার এক পরিণত রূপ, যেখানে নারী নিজের সত্তাকে প্রেমের চেয়েও মূল্যবান বলে বিবেচনা করে। আর এই দৃষ্টিভঙ্গি বাংলা সাহিত্যে বিশেষত রবীন্দ্র-পূর্ব যুগে খুব কমই দেখা গেছে। ‘লাবণ্য’র সাহিত্যিক মূল্যায়নে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো তার সামাজিক অবস্থান ও শিক্ষিত মানসিকতা, কারণ সে কোনো সীমাবদ্ধ গৃহকোণবাসিনী নয়, বরং বিশ্ববোধে উন্মুক্ত, সাহিত্য ও চিন্তায় অভ্যস্ত এবং নিজের অবস্থান সম্পর্কে সচেতন। ফলে তার সিদ্ধান্তগুলো কেবল ব্যক্তিগত আবেগ থেকে উৎসারিত নয়, বরং সামাজিক ও নৈতিক প্রেক্ষাপটের আলোয় পরিশীলিত। রবীন্দ্রনাথ, এখানে নারীশিক্ষার আদর্শ ফল হিসেবে ‘লাবণ্য’কে উপস্থাপন করেছেন।  যেখানে শিক্ষা নারীকে পুরুষের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং সমকক্ষ করে তোলে এবং এই সমকক্ষতার মধ্য দিয়েই প্রেমের প্রকৃত সৌন্দর্য উদ্ভাসিত হয়। ‘লাবণ্য’র সঙ্গে কেতকীর তুলনা করলে তার রূপধারার গভীরতা আরও স্পষ্ট হয়, কারণ কেতকী যেখানে সামাজিক নিরাপত্তা ও প্রচলিত কাঠামোর প্রতীক, সেখানে ‘লাবণ্য’ আত্মিক স্বাধীনতার প্রতীক, আর এই দুইয়ের দ্বন্দ্বের মধ্য দিয়ে রবীন্দ্রনাথ আধুনিক সমাজের নারীসমস্যাকে সূক্ষ্মভাবে উপস্থাপন করেছেন। ‘লাবণ্য’ কোনো বিদ্রোহী নারী নয় প্রচলিত অর্থে, সে সমাজ ভাঙতে চায় না, বরং সমাজের ভেতরেই নিজের জায়গা তৈরি করতে চায় আত্মসম্মানের ভিত্তিতে। আর এই মধ্যপন্থী অবস্থানই তাকে বাস্তব ও মানবিক করে তোলে। ‘লাবণ্য’র ভাষা ও ভাবনার মধ্যে যে কাব্যিকতা বিদ্যমান, তা রবীন্দ্রনাথের কবিসত্তার প্রতিফলন হলেও তা কখনো চরিত্রের স্বাভাবিকতাকে ক্ষুণ্ণ করে না, বরং চরিত্রের বৌদ্ধিক সৌন্দর্যকে উজ্জ্বল করে তোলে, ফলে ‘লাবণ্য’ একদিকে কাব্যিক, অন্যদিকে বাস্তব, একদিকে স্বপ্নময়, অন্যদিকে যুক্তিবদ্ধ। এই দ্বৈত বৈশিষ্ট্যই তাকে ‘শেষের কবিতা’র কেন্দ্রীয় নান্দনিক সত্তায় পরিণত করেছে। ‘লাবণ্য’র রূপধারায় প্রেমের শেষ পরিণতি বিয়ে না হওয়াই যে তার ব্যর্থতা নয় বরং তার সাফল্য, এই ধারণাটি রবীন্দ্রনাথ অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে প্রতিষ্ঠা করেছেন। কারণ এখানে প্রেমের সার্থকতা নির্ধারিত হয় আত্মসম্মান ও আত্মসত্যের মাধ্যমে, সামাজিক পরিণতির মাধ্যমে নয়। ‘লাবণ্য’র এই অবস্থান বাংলা সাহিত্যে প্রেমের ধারণাকে এক নতুন দার্শনিক উচ্চতায় উন্নীত করে। যেখানে প্রেম মানে দখল নয়, অধিকার নয়, বরং পারস্পরিক সম্মান ও আত্মস্বাধীনতার স্বীকৃতি। এই দৃষ্টিভঙ্গির মধ্য দিয়েই ‘লাবণ্য’ চরিত্রটি সময়ের সীমা অতিক্রম করে আজও প্রাসঙ্গিক। কারণ আধুনিক নারীসমাজ এখনো আত্মসম্মান ও সম্পর্কের ভারসাম্য নিয়ে যে সংগ্রাম করে ‘লাবণ্য’ তার এক প্রাথমিক সাহিত্যিক প্রতিরূপ। রবীন্দ্রনাথের নারীচরিত্রগুলোর মধ্যে ‘লাবণ্য’ বিশেষভাবে স্মরণীয়, কারণ সে কোনো একক আদর্শের প্রতিমা নয়, বরং দ্বন্দ্বে ভরা, প্রশ্নমুখর, আত্মসন্ধানী এক মানবী, আর এই মানবিক জটিলতাই তার সাহিত্যিক মূল্যকে দীর্ঘস্থায়ী করেছে। ‘লাবণ্য’র রূপধারা তাই কেবল ‘শেষের কবিতা’র একটি চরিত্রগত বিশ্লেষণ নয়, বরং রবীন্দ্রনাথের আধুনিকতা-বোধ, নারীভাবনা ও প্রেমদর্শনের এক সংহত শিল্পরূপ। যেখানে ব্যক্তি ও সম্পর্কের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার প্রশ্নটি গভীর নান্দনিকতায় উত্থাপিত হয়েছে এবং এই কারণেই ‘লাবণ্য’ বাংলা উপন্যাসের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় চরিত্র হিসেবে স্থায়ী আসন লাভ করে। 

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

প্রবন্ধঃ বিষ্ণু দে : ‘উর্বশী ও আর্টেমিস’ থেকে ‘চোরাবালি’

বিষ্ণু দে , তিরিশি কবিদের অন্যতম । কবিতা রচনাই যাঁর কাছে এক এবং অদ্বিতীয় হ ’ য়ে দেখা দেয় । কাব্যে সংখ্যার দিক থেকে অতিক্রম করেছেন সতীর্থদের । বিষ্ণু দে , যাঁর কবিতা রচনার সূচনা পর্বটিও শুরু হয় খুব দ্রুততম সময়ে । কবিতা সৃষ্টির পর্বটি অব্যাহত রেখেছেন সর্বদা । পঁচিশটি কবিতা নিয়ে ‘ উর্বশী ও আর্টেমিস ’- এ নিজেকে প্রকাশ করেন স্ব - মহিমায় । যে কবিতাগুলা বিস্ময়বিমুগ্ধ ক ’ রে অন্যেদেরকেও । ওই কবিতা শুধু বিষ্ণু দে ’ কে নয় , বরং নতুনতর হ ’ য়ে দেখা দেয় বাঙলা কবিতা । বিষ্ণু দে ’ র ‘ উর্বশী ও আর্টেমিস ’ রবীন্দ্রনাথকে পড়তে হয়েছিল দু ’ বার । ‘ উর্বশী ও আর্টেমিস ’- এর কবিতাগুলির রচনাকালের ব্যাপ্তি দেওয়া আছে ( ১৯২৮ - ১৯৩৩ ) সময়ের মধ্যে , এবং গ্রন্থকারে প্রকাশ পায় ওই একই বছরে অর্থাৎ , ১৯৩৩ - এ । কিন্তু রচনাকালের ব্যাপ্তি ১৯২৮ দেওয়া থাকলেও প্রকৃত পক্ষে এ সকল কবিতাগুলো রচনা পর্ব শুরু হয় আরো দু ’ বছর পূর্বে অর্থাৎ , ১৯২৬ - এ । যখন কবি হিশেবে বিষ্ণু দে একেবারেই নতুন এবং নবীন । ১৯৩৩ - এ ...

প্রবন্ধঃ বুদ্ধদেব বসু ও ‘কঙ্কাবতী’

বুদ্ধদেব বসু প্রেমের অজস্র কবিতা রচনা করেছেন । অন্য অনেকের মতো তিনিও বেছে নেন একজন প্রেমিকাকে , যে হ ’ য়ে উঠে বুদ্ধদেবের অতুল্য প্রেমিকা হিশেবে । ‘ কঙ্কাবতী ’ অনিন্দ্য প্রেমিকা হ ’ য়ে বুদ্ধদেবের কাব্যতে বিচরণ ক ’ রে স্বচ্ছন্দে । স্থির হয়ে বসে পড়ে কঙ্কাবতী ’ কাব্যগ্রন্থে । যে কাব্যগ্রন্থে ‘ কঙ্কাবতী ’ দেখা দেয় অনৈসর্গিক হয়ে । ‘ কঙ্কাবতী ’ কাব্য রচনার পূর্বে ‘ কঙ্কাবতীকে ’ দেখা দেয় অনৈসর্গিক হয়ে । ‘ কঙ্কাবতী ’ কাব্য রচনার পূর্বে কঙ্কাবতীকে আমরা দেখতে পাই অন্য কোনো কবিতায় । যেখানে সে প্রেমিকার কাছে হয়ে ওঠে কুৎসিত কঙ্কাল ব্যতীত অন্য কিছু নয় । প্রগাঢ় ভাবে প্রাপ্তির জন্যে সমস্ত কবিতা জুঁড়ে দেখতে পাই কবির অপরিবর্তনীয় আবেদন । কঙ্কাবতী , যাঁর সাথে কিছু বাক্য বিনিময়ের জন্যে রক্তের হিমবাহে দেখা দেয় চঞ্চলতা । সুপ্রিয়া প্রেমিকা মুখ তোলা মাত্র কবি হাঁরিয়ে ফেলেন ওই সৌন্দর্যময় বাক্যগুলো , যা বলার জন্যে অপেক্ষায় ছিলেন কবি দীর্ঘদিন । প্রেমিকা যখন খুব কাছাকাছি হয়ে এগিয়ে আসেন , ওই ব্যর্থ ...

প্রবন্ধঃ অমিয় চক্রবর্তী : ‘বৃষ্টি’ নিয়ে তিনটি কবিতা

রবীন্দ্রনাথ, মেঘ-বরষা বৃষ্টি নিয়ে এতো সংখ্যক কবিতা লিখেছেন যে তাঁর সমান বা সমসংখ্যক কবিতা বাঙলায় কেউ লিখেনি। রবীন্দ্রনাথ, যাঁর কবিতায় বার বার এবং বহুবার ফিরে ফিরে এসেছে মেঘ, বরষা, বৃষ্টি। বৃষ্টি নামটি নিলেই মনে পড়ে কৈশোর পেড়িয়ে আসা রবীন্দ্রনাথের ওই কবিতাটির কথা। ‘দিনের আলো নিবে এল সূর্য্যি ডোবে ডোবে আকাশ ঘিরে মেঘ জুটেছে চাঁদের লোভে লোভে।’ বৃষ্টি নিয়ে কবিতা পড়ার কথা মনে পড়লে এটাই চলে আসে আমার মনে। অমিয় চক্রবর্তী বৃষ্টি নিয়ে লিখেছেন বেশ কিছু কবিতা। বাঙলায় বৃষ্টি নিয়ে কবিতা লিখেনি এমন কবির সংখ্যা খুব কম বা নেই বললেই চলে। অমিয় চক্রবর্তী, যাঁর কবিতায় পাই ‘বৃষ্টি’ নামক কিছু সৌন্দর্যময় কবিতা। যে কবিতাগুলো আমাকে বিস্ময় বিমুগ্ধ ক’রে। ওই কবিদের কারো কারো কবিতা দ্রুত নিঃশ্বাসে পড়া সম্ভবপর হয়ে উঠে না। বৃষ্টি নামক প্রথম কবিতাটি পাওয়া যাবে অমিয় চক্রবর্তীর ‘একমুঠোতে’। উন্নিশটি কবিতা নিয়ে গ’ড়ে উঠে ‘একমুঠো’ নামক কাব্য গ্রন্থটি। যেখান থেকে শ্রেষ্ঠ কবিতায় তুলে নেওয়া হয় চারটি কবিতা। আমার আরো ভালোলাগে ‘বৃষ্টি’ কবিতাটি ওই তালিকায় উঠে আসে। শ্রেষ্ঠ কবিতায় না আসলে আমার যে খুব খারাপ লাগতে তা-ও নয়। ওই কবিতা...