শীতল হাওয়ার বাতাসে
ভেসে যায় আমাদের নরম শরীর, আমি ছুঁই সেই বাতাস
তবু তোমার উপস্থিতি আছে আমার চোখের সেই আড়ালে
রাতের আকাশে মেঘেরা ঘুরে বেড়ায়, ঠিক যেন
স্মৃতিগুলোর আনন্দ-উদ্বেগ,
সবুজ গাছের গায়ে জমে থাকে শিশির বিন্দুতে গাঢ় দুঃখ
আমি দেখি তোমার হাসি, এক ফালি চাঁদের আলোর মতো
ম্লান ক’রে,
শহরের সারি সারি বাতিগুলো আলো জ্বেলে যেমন অপেক্ষা ক’রে তোমার
আমি অপেক্ষায় থাকি, তোমার ফিরে আসার খবরে পায়ের ছাপ দেখে,
কিন্তু সময় থামে না, আমাদের গভীর সম্পর্ক
আমাদের মত বেঁচে থাকে
হাতে সময়ের ঘড়ি থাকলেও সে নিজেই বেদনাদায়ক ভাবে এগিয়ে যায়
আজ আমি বলি, তোমার জন্য লিখেছি অমর কথাগুলো,
খোঁদাই করা কাঠে
যেমন ছোট্ট নদী লিখে দেয় একাকিত্বের গহ্বরে নিজের আপন ছায়া
তোমার যদি জানতে ইচ্ছে ক’রে, আমি বলি, আমি এখানে বসে আছি,
বাতাসের ছোঁয়ায়, পাতার ফড়িং, আলো ও ছায়ার
মাঝেই বেঁচে থাকা
তুমি যদি না শুনে থেকো, তখনও আমি বলব, আমার
গভীর দুখগুলো
আমার ভালোবাসা ছিল চুপচাপ, তবে ত্রুটি নয়, নিবিড় আর গাঢ়
প্রতি নিশ্বাসে, প্রতি ছন্দে, আরো গাঢ় হ’য়ে উঠছে ভালবাসা
আমরা হয়তো আলাদা ছিলাম, কিন্তু পথের শেষে
মিলনের ঠিকানা ছিল একই
এই একান্ত ভেতর-চিন্তার গভীরে বাঁচিয়ে রাখি মৌলিক সম্পর্ক দৃঢ় ক’রে
আমি রাখেছি স্বপ্নের সেই সম্পর্ক, যেখানে তুমি এসে দাঁড়াবে,
হাসি নিয়ে, নির্ধারণহীন চোখে, আমার শহরের
সমস্ত সৌন্দর্য নিয়ে।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন