কবির হৃদয়ে অসমাপ্ত ব’লে
কিছু নেই,
ঘড়ির কাঁটা যেন মুহূর্তে শুধু নিশ্বাস ফেলে
ভালোবাসা তার কাছে কোনো মানুষ নয়,
একটি অনন্ত আলোর ছায়া,
যা শব্দ হ’য়ে জন্ম নেয় প্রতিটি নিঃশ্বাসে;
রাত্রি যখন ঘন হ’য়ে আসে
চতুর্দিকে,
সে তখন জেগে থাকে বাতাসের ভেতর,
ভালোবাসার অদৃশ্য আলিঙ্গনে, চেতনায়
এঁকে যায় কোন নারীর চোখের গভীর চিহ্ন
তার কলমে জ্বলে
উঠে নক্ষত্র, জ্যোৎস্না
অক্ষরগুলো নরম আগুনের মতো উজ্জ্বল,
যা পোড়ায়, আবার শীতলও ক’রে একসঙ্গে
সে জানে, প্রতিটি প্রেমই অসমাপ্ত, অপূর্ণ,
তবু অসমাপ্তিতেই লুকিয়ে আছে গভীরতা
বাস্তবতার
কংক্রিট শহরে মুহূর্তে,
যখন সব অনুভব হারায় মানবিক কণ্ঠে,
কবি তখন একফোঁটা বৃষ্টি ধ’রে রাখে,
যেন পৃথিবীর শেষ কোমলতা সবুজবনে
তার কাব্যের
প্রতিটি আলো যেন
এক নিঃসঙ্গ আত্মার অমরতা,
যেখানে শব্দ নয়, বরং নীরবতার উচ্ছ্বাস
সে জানে, ঝরে পড়ে মানবিক সম্পর্ক,
ভালোবাসা ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু কবিতা অমর
তার সম্পর্ক, লিখিত দৃষ্টি টিকে থাকে
সময়ের অন্তহীন গলিতে, ছায়াপথে
কবি, যে একদিন সব কিছু হারিয়ে ফেলে
শব্দের ভেতর নিজের পুনর্জন্ম খুঁজে পায়,
এবং পৃথিবী বুঝে না,
সে কেন হাসে, আবার কাঁদে একসঙ্গে।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন