রাত্রি নামছে ধীরে ধীরে, সাদা চাদরে উড়ছে বিস্তৃত আকাশে,
আমি দেখি নিজেকে আলোকহীন, তথাপি আকাঙ্ক্ষায়
ঝলমলে
তোমার ভাবনার চিত্তে লিখে যাই একেকটি শব্দ, একেকটি
নিঃশ্বাস,
যেমন বার্ধক্য হঠাৎ ক’রে হাসে, ছেলেবেলার ক্ষণ নিয়ে
ভাগ্যহারা দুপুরগুলো আজ স্মৃতিতে গড়িয়ে প’ড়ে,
সন্ধ্যার রঙে মিশে যায় সেই সব কল্পনা, যা কখনো
ছিল না বাস্তব
শহরের হুড়োহুড়ি, ট্রাফিক হর্ণ, আলো-ছায়ার ঢেউ,
সব মিশে গিয়েছে ওই এক নিরব মুহূর্তে, যেখানে
আমরা ছিলাম
তুমি বলেছিলে আকাশের নিচে আমরা সবসময় চলি,
আমি আজও সেই কথার প্রতিশ্রুতি রাখি,
হাত বাড়িয়ে ছোঁয়ার অপেক্ষায়,
যেখানে বাতাস তোমার কথা বলার ভাষা খুঁজে পায়
জীবন যেন একাবিংশ শতাব্দীর নতুন সংস্করণ
আমার হৃদয়ের তাণ্ডব হঠাৎ থামিয়ে দেয়
আমরা হয়তো এক পৃথিবীর বাসিন্দা ছিলাম,
তবু দুটি ভিন্ন গ্যালাক্সিতে চলে গিয়েছিলাম আমাদের দ্বন্দ্বে
কিন্তু ভালোবাসা এমন নয়,
চোখ বন্ধ করে মনে থাকে রিক্ততা,
যেমন কোনো ফুল পড়ে আছে জলহীন গ্লাসে,
অপেক্ষায় এক তাজা পলকে হাসি ফিরে পাওয়ার
আমি বলি, ভালোবাসি একান্তভাবে,
অদৃশ্য স্পর্শে, অনুপাতহীন উপস্থিতিতে
এসো ফিরে, আমার ব্যর্থ বাঙলায়
শহরের আলো নিভে যাওয়া জলের মতো হোক
বরং রাত্রির প্রথম তারা হ’য়ে আসো,
আমার খোলা আকাশে।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন