সকাল বেলার রুপোর আলো ফোটে জানালার বুক চেপে ধ’রে,
আমি দেখি, হঠাৎ একেবারে কাছে আসতে চায় সময়ের
ছায়া।
হাতের আঙুলে সময়ের বৃত্ত যেমন বেঁধে দেওয়া আছে,
তেমনি আমার অধিকাংশ মুহূর্ত বেঁচে আছে শুকনো রেখায়
শহর ঘেঁষে ব’য়ে যায় ট্রাম লাইনের আওয়াজ,
যেখানে শব্দ হয় স্মৃতিতে, স্মৃতি হয় শব্দে।
আমি হেঁটেছি সেই রাস্তায় যেখানে তোমার পায়ের ছাপ ছিলো,
এবং আজ শুধু বাতাস তাঁদের কথা বলছে, তুমি কি
ফিরে আসো?
এসো বলি, আমরা হয়তো পালিয়েছি উদ্দেশ্যহীনতার
রাজ্যে,
তবু পিছুটান রাখে সেই অচেনা সূর্যের মুখ।
তোমার কি জানিস, একটা খালি ঘর আছে আমার মাঝে,
যেখানে শুধু তোমার কথা শোনা যায় ঘুম ভাঙার আগেই।
আমার ভালোবাসা ছিল না চিৎকারে, ছিল নীরব
মার্গে,
যেমন শাশ্বত নদী, রাতভর বহমান।
আগুন হ’য়ে জ্বলে ছিলো তোমার স্মৃতি, আজ ধোঁয়া হ’য়ে গেছে,
তবু আমি নিভে যাইনি,
নিজের মধ্যে আলো খুঁজছি, একটু একটু ক’রে,
যেমন হঠাৎ বিস্ফোরণ ক’রে একটি ফুলবাতি আকাশে।
আগামী দিনের দিকে তাকিয়ে বলি, হয়তো তোমার আসবে,
এবং আমার অপেক্ষা হবে শুধু একটুখানি হাসি,
যা ফেরত দেবে হারিয়ে যাওয়া দিনের রং,
আলোর করিডোরে,
তোমার আর আমার আবার কথা বলব, চুপচাপ নয়,
শহরের রোদ ও রাত্রির মিলনে।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন