শীতল হাওয়ার দিনে ভেসে আসে পথ চলার নীরব গান , আমি ছুঁই সেই বাতাস যেখানে কেউ নেই , তবুও তার উপস্থিতি আছে আমার স্মৃতিতে , চোখের সেই আড়ালে, রাতের আকাশে মেঘেরা ঘুরে বেড়ায় , ঠিক যেন স্মৃতিগুলোর আনন্দ-উদ্বেগ , সবুজ গাছের গায়ে জমে থাকা শিশির বিন্দুতে, কিছু নষ্ট স্মৃতি আমি দেখি তার হাসি , এক ফালি চাঁদের আলোর মতো ম্লান, আমার শহরের সারি সারি বাতি আলো জ্বেলে যেমন অপেক্ষা ক’রে আমি অপেক্ষায় থাকি, কোন এক অজানা মানুষের জন্য, ছায়ার জন্য কিন্তু সময় থামে না , সেই মানুষের মুখের চিত্র আঁকতে, আমার ফ্রেমে হাতে সময়ের ঘড়ি থাকলেও সে নিজেই বেদনাদায়ক ভাবে এগিয়ে যায়, আজ আমি বলি , তার জন্য লিখেছি কথাগুলো , জানি শুনবে না, যেমন ছোট্ট নদী লিখে দেয় একাকিত্বের গহ্বরে নিজের ছায়া, যদি তা শুনে থাকো, তাহলে বলি , আমি এখানে আছি দাঁড়িয়ে বাতাসের ছোঁয়ায় , পাতার গন্ধে, আলো ও ছায়ার মাঝেই, যদি তা না শুনে থেকো , তখনও আমি বলব , আমি অন্য কেউ নই ! আমার ভালোবাসা ছিল চুপচাপ , তবে তা মিথ্যা ন...
মামুনুর রহমান, সমকালীন বাংলা সাহিত্যের এক অদ্বিতীয় সংবেদনশীল কণ্ঠ। তাঁর লেখায় জীবনের সাধারণ মুহূর্তগুলোও নতুন এক আলোর আভায় ফু’টে ওঠে। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, কবিতা কেবল শব্দের খেলায় সীমাবদ্ধ নয়; এটি সেই নীরব ভাষা, যা অন্তরের গভীরে বাস ক’রে, পাঠকের অভ্যন্তরীণ অনুভূতির সঙ্গে মিশে এক অনন্য প্রতিধ্বনি সৃষ্টি ক’রে। তেমনি তাঁর গদ্য রচনা পাঠককে শুধু ভাবায় না, বরং অনুভব করায়, জীবনের ক্ষুদ্রতম ছোঁয়ায়ও গভীর মানসিক ধ্বনিতে স্পন্দিত ক’রে। তিনি খেয়াল রাখেন পাঠকের মন ও মননশীল দিকটি।